নাসিম ছিলেন রাজনৈতিক আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র : টেলিকম মন্ত্রী
প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি ছাড়াও প্রাক্তন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বর্তমান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিজ্ঞান ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এবং আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক শোক বার্তায় টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, আজীবন দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন জনমানুষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এই রাজনীতিবিদ। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন মোহাম্মদ নাসিম।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় চার নেতার অন্যতম ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর সুযোগ্য সন্তান মোহাম্মদ নাসিম এর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। নাসিম ছিলেন রাজনৈতিক আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র। মোহাম্মদ নাসিমের মতো একজন গুণী, অভিজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ সমগ্র জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হল।
শোকবার্তায় মন্ত্রী বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মোহাম্মদ নাসিমের সক্রিয় ভূমিকা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
আজ বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর শ্যামলী বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মোহাম্মদ নাসিম (৭২)।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতার একজন শহীদ এম মনসুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ নাসিম পঞ্চমবারের মত সংসদে সিরাজগঞ্জের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। পরের বছর মার্চে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তাকে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নাসিম এক সঙ্গে দুই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৯ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত। পরে মন্ত্রিসভায় রদবদলে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলেও সেবার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি নাসিমের। তবে পরের মেয়াদে ২০১৪ সালে তাকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করেন শেখ হাসিনা।